করোনার জেরে নেইমার-মেসিদের ম্যাচ দর্শকশূন্য

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শেষ ষোলোর প্রথম লেগে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে ০-১ হেরে বসে আছে লিভারপুল। এ বার ঘরের মাঠে ২-০ জিততে হবে তাদের। ১-০ জিতলে ম্যাচ গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে। ২-১ জিতলেও চলে যাবে মাদ্রিদের টিম। তাই সিমিয়নের টিমের ডিফেন্স ভাঙার চ্যালেঞ্জ এখন মোহামেদ সালাহ্, সাদিও মানে ও রবের্তো ফির্মিনোর সামনে। গতবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে বার্সেলোনা হোম ম্যাচ ৩-০ জিতলেও পরের লেগে ক্লপের টিম ৪-০ হারিয়ে ছিল মেসিদের। সেই ম্যাচই এখন প্রেরণা তাঁদের সামনে।

দিনের অন্য ম্যাচটিও যথেষ্ট চাপের প্যারিস সাঁ জার কাছে। প্রথম লেগে ডর্টমুন্ডে গিয়ে ১-২ হেরেছিল তাঁরা। প্যারিসে ঘরের মাঠে খেললেও এমবাপে-নেইমারদের জন্য খারাপ খবর, এই ম্যাচে গ্যালারিতে কোনও দর্শক রাখা হচ্ছে না করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে। সেই সঙ্গে এমবাপের উপর চোটের খাঁড়া। তাঁকে খেলানো হবে কি না তা নিয়ে এখনও সংশয়। বুধবার ম্যাচের দিন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এমনকি থিয়াগো সিলভাও খেলতে পারবেন কি না তা অনিশ্চিত। শুধু পিএসজি নয়, আগামী সপ্তাহে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কাম্প নৌয়ে বার্সেলোনা-নাপোলি ম্যাচও থাকবে দর্শকশূন্য।

এই পরিস্থিতিতে জ্যাডন স্যাঞ্চো-আর্লিং হাল্যান্ডের মতো তরুণ তুর্কীদের সামাল দেওয়া কি সম্ভব? পিএসজি-শিবিরে সেই প্রশ্নই সবচেয়ে বড়। প্যারিসে দর্শক না থাকা যখন হোম চিমের চিন্তার কারণ, তখন লিভারপুল কোচ ক্লপ ভরসা রাখছেন দর্শকের উপরেই। বলে দিচ্ছেন, ‘আমাদের সমর্থকরা বড় অ্যাডভান্টেজ। ওদের বেশ কিছু প্লেয়ারের আমাদের স্টেডিয়ামে খেলার অভিজ্ঞতা নেই। কিন্তু মাঠে নেমে আমাদের ঠিক ভাবে খেলতে হবে।’ প্লেয়ারদের তাতাতে ক্লপ বলেছেন, ‘আমরা শেষ ষোলোর শুধু প্রথমার্ধটা খেলেছি। দ্বিতীয়ার্ধে আমাদের পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *