কড়াকড়ির কথা থাকলেও ঢিলেঢালা লকডাউন পূর্ব রাজাবাজারে

অনেক কড়াকড়ির কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ঢিলেঢালাভাবে পালিত হয়েছে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারে প্রথম দিনের লকডাউন। বুধবার (১০ জুন) সকাল থেকে কিছুটা কড়াকড়ি দেখা গেলেও সন্ধ্যার পর মূল প্রবেশ পথ দিয়েই মানুষকে যাতায়াতের সুযোগ দিতে দেখা গেছে। সেসময় অফিস ফেরত পেশাজীবীদের লকডাউন এলাকায় প্রবেশ করতে ও বের হতে দেখা যায়।  সকাল থেকে পূর্ব রাজাবাজারের পূর্বাংশে গ্রিন রোড সংলগ্ন আইবিএ হোস্টেলের পাশের সড়কের প্রবেশ পথে বাঁশের ব্যারিকেট দেখা গেছে। কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। সড়কটিতে মানুষের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। দিনের বেলা ভালোই কড়াকড়ি ছিল। মানুষকে প্রবেশ ও বের হতে দেওয়া হয়নি। তবে সন্ধ্যার পর তার উল্টো চিত্র দেখা যায়। এসময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চাকুরিজীবীদের যাতায়াত করতে দেখা গেছে। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের কাছে অফিসের আইডি কার্ড দেখিয়ে পেশাজীবীদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। এসময় কোনও কোনও মানুষের গায়ে জীবাণুনাশকও ছিটাতে দেখা গেছে। তবে তখন দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ কথা বলতে রাজি হননি।  ছবি: শাহেদ শফিক  ফরিদ উদ্দিন নামে একজন ব্যাংক কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'আমি ব্যাংকে চাকরি করি। আইডি কার্ড দেখিয়ে সকালে বের হয়েছি। এখন আবার বাসায় যাবো। চাকরিজীবীদের তো যাতায়াত করতে দেওয়া হচ্ছে।'  যদিও স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদুর রহমান খান ইরান এর আগে জানিয়েছিলেন, লকডাউন গাইড লাইন অনুযায়ী চাকুরিজীবী হোন আর যেই হোন লকডাউন এলাকা থেকে কেউ বের হতে পারবেন না এবং কেউ প্রবেশও করতে পারবেন না। সাধারণ যান চলাচল ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে। সব কিছু হবে নিয়ন্ত্রিত।  ছবি: নীল অপরাজিতা  তবে বুধবার রাতে এই কাউন্সিলর আবারও বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'প্রথম দিনেই হাঁপিয়ে উঠেছি। অনেক কাজ করেছি। প্রথম দিন যথেষ্ট ভালো রয়েছে। দেখা যাক সামনের দিকগুলো কেমন যায়।' এলাকায় মানুষকে ঢুকতে বা বের হতে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'এমন তো হওয়া কথা না। আমি খবর নিচ্ছি। কেন এমনটা দেওয়া হচ্ছে।'  ছবি: উদিসা ইসলাম  এর আগে, পূর্ব রাজাবারের পেছনের অংশে গিয়ে দেখা গেছে, সড়কটি বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এসময় বাইরের মানুষকে ভেতরে থাকা আত্মীয়-স্বজনদের খাবারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল সরবরাহ করতে দেখা যায়।  নুহা নামে স্থানীয় একজন বাসিন্দা বলেন, 'স্বামী রিকশা চালান। তাই তাকে বাইরে রেখেছি। ভেতরে রাখলে তো আর বের হতে পারবেন না। কাজ বন্ধ থাকলে সরকার আমাদের কয়দিন খাওয়াবে। তিনি সারাদিন কাজ করে গ্যারেজে থাকবেন। এখন রাতের জন্য চাল-ডাল এনে দিয়েছেন।'  ছবি: নাসিরুল ইসলাম  সকালে বাংলা ট্রিবিউনের ফটো সাংবাদিক নাসিরুল ইসলামের তোলা ছবিতে দেখা গেছে, পূর্ব রাজাবাজারের পেছনের অংশের সড়কে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড করে দেওয়া হলেও তার নিচ দিয়েই কয়েকজন বের হওয়ার চেষ্টা করেছেন।  বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার বিপ্লব বিজয় তালকুদারকে কয়েকবার ফোন করলেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।অনেক কড়াকড়ির কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ঢিলেঢালাভাবে পালিত হয়েছে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারে প্রথম দিনের লকডাউন। বুধবার (১০ জুন) সকাল থেকে কিছুটা কড়াকড়ি দেখা গেলেও সন্ধ্যার পর মূল প্রবেশ পথ দিয়েই মানুষকে যাতায়াতের সুযোগ দিতে দেখা গেছে। সেসময় অফিস ফেরত পেশাজীবীদের লকডাউন এলাকায় প্রবেশ করতে ও বের হতে দেখা যায়।

সকাল থেকে পূর্ব রাজাবাজারের পূর্বাংশে গ্রিন রোড সংলগ্ন আইবিএ হোস্টেলের পাশের সড়কের প্রবেশ পথে বাঁশের ব্যারিকেট দেখা গেছে। কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। সড়কটিতে মানুষের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। দিনের বেলা ভালোই কড়াকড়ি ছিল। মানুষকে প্রবেশ ও বের হতে দেওয়া হয়নি। তবে সন্ধ্যার পর তার উল্টো চিত্র দেখা যায়। এসময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চাকুরিজীবীদের যাতায়াত করতে দেখা গেছে। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের কাছে অফিসের আইডি কার্ড দেখিয়ে পেশাজীবীদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। এসময় কোনও কোনও মানুষের গায়ে জীবাণুনাশকও ছিটাতে দেখা গেছে। তবে তখন দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ কথা বলতে রাজি হননি।ছবি: শাহেদ শফিক

ফরিদ উদ্দিন নামে একজন ব্যাংক কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি ব্যাংকে চাকরি করি। আইডি কার্ড দেখিয়ে সকালে বের হয়েছি। এখন আবার বাসায় যাবো। চাকরিজীবীদের তো যাতায়াত করতে দেওয়া হচ্ছে।’

যদিও স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদুর রহমান খান ইরান এর আগে জানিয়েছিলেন, লকডাউন গাইড লাইন অনুযায়ী চাকুরিজীবী হোন আর যেই হোন লকডাউন এলাকা থেকে কেউ বের হতে পারবেন না এবং কেউ প্রবেশও করতে পারবেন না। সাধারণ যান চলাচল ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে। সব কিছু হবে নিয়ন্ত্রিত।

ছবি: নীল অপরাজিতা

>

তবে বুধবার রাতে এই কাউন্সিলর আবারও বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রথম দিনেই হাঁপিয়ে উঠেছি। অনেক কাজ করেছি। প্রথম দিন যথেষ্ট ভালো রয়েছে। দেখা যাক সামনের দিকগুলো কেমন যায়।’ এলাকায় মানুষকে ঢুকতে বা বের হতে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এমন তো হওয়া কথা না। আমি খবর নিচ্ছি। কেন এমনটা দেওয়া হচ্ছে।’

ছবি: উদিসা ইসলাম

এর আগে, পূর্ব রাজাবারের পেছনের অংশে গিয়ে দেখা গেছে, সড়কটি বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এসময় বাইরের মানুষকে ভেতরে থাকা আত্মীয়-স্বজনদের খাবারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল সরবরাহ করতে দেখা যায়।

নুহা নামে স্থানীয় একজন বাসিন্দা বলেন, ‘স্বামী রিকশা চালান। তাই তাকে বাইরে রেখেছি। ভেতরে রাখলে তো আর বের হতে পারবেন না। কাজ বন্ধ থাকলে সরকার আমাদের কয়দিন খাওয়াবে। তিনি সারাদিন কাজ করে গ্যারেজে থাকবেন। এখন রাতের জন্য চাল-ডাল এনে দিয়েছেন।’ছবি: নাসিরুল ইসলাম

সকালে বাংলা ট্রিবিউনের ফটো সাংবাদিক নাসিরুল ইসলামের তোলা ছবিতে দেখা গেছে, পূর্ব রাজাবাজারের পেছনের অংশের সড়কে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড করে দেওয়া হলেও তার নিচ দিয়েই কয়েকজন বের হওয়ার চেষ্টা করেছেন।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার বিপ্লব বিজয় তালকুদারকে কয়েকবার ফোন করলেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সুত্র: বাংলা ট্রিবিউন

শেয়ার করুন ও লাইক দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: