সংবাদ শিরোনাম
Home / জাতীয় / ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর মধ্যে মিরপুর ছাড়াও ধানমন্ডি, বাসাবো, ওয়ারী এমনকি গুলশানও রয়েছে

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর মধ্যে মিরপুর ছাড়াও ধানমন্ডি, বাসাবো, ওয়ারী এমনকি গুলশানও রয়েছে

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৮ জনে। এরমধ্যে ১২৩ জনই ঢাকা সিটিকর্পোরেশন এলাকার। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের বাইরে জেলার চারটি উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা আরও ছয় জন।

৮ এপ্রিল, বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত অনলাইন ব্রিফিংয়ে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানান।

আক্রান্তের সংখ্যার দিক দিয়ে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মিরপুর। আয়তন ও জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় এই এলাকাটিতে ২৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। এরমধ্যে টোলারবাগে ১০ জন, মিরপুর-১ নম্বরে ৮ জন, শাহ আলীবাগ, মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১১ নম্বরে ২ জন করে মোট ৬ জন এবং পীরেরবাগ, মিরপুর-১৩ ও কাজীপাড়ায় একজন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

মিরপুরের বাইরে আক্রান্তে সংখ্যা হিসেবে ঝুঁকি বিবেচনায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ধানমন্ডি এলাকা। এলাকাটি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ জন। এছাড়া যৌথভাবে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাসাবো ও ওয়ারী এলাকা। সেখানে ৯ জন করে মোট ১৮ জন ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছে। এরপরই মোহম্মদপুরের অবস্থান। এই এলাকার মোট সাতজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

আক্রান্তের সংখ্যা হিসেবে ঝুঁকি বিবেচনায় পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে গুলশান ও উত্তরা। এই এলাকা দুটিতে ছয়জন করে মোট ১২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া যাত্রাবাড়ি ও লালবাগে আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচজন করে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১০ জন।

অন্যদিকে, সোয়ারিঘাট ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় তিনজন করে ছয়জন; গ্রীনরোড, চকবাজার, বাবুবাজার, ইসলামপুর, পুরানাপল্টন ও তেজগাঁওয়ে দুইজন করে মোট ১২ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

এছাড়া আদাবর, সেন্ট্রালরোড, বুয়েট এলাকা, শাহবাগ, হাজারীবাগ, উর্দুরোড, লক্ষ্মীবাজার, নারিন্দা, কোতোয়ালী, বংশাল, ইস্কাটন, বেইলি রোড, মগবাজার, রামপুরা, শাজাহানপুর, বাড্ডা, নিকুঞ্জ ও মহাখালীতে একজন করে মোট ১৯ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসসৃষ্ট কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ১৮ মার্চ প্রথম এ ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মারা যান একজন। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ জনে

এরইমধ্যে বিশ্বে এ ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৮২ হাজার। বিশেষ করে ইউরোপের দেশগুলো ও যুক্তরাষ্ট্র এখনও এ ভাইরাসটির সঙ্গে লড়ছে। তবে ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল চীনের উহানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় লকডাউন তুলে নেওয়া হয়েছে।

সূত্র:ঢাকা ট্রিবিউন

Check Also

স্বামীর সম্পত্তির অধিকার পেলেন দিন্দু বিধবা নারীরা

বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিধবা নারীরা স্বামীর কৃষি জমির ভাগ পাবেন বলে হাইকোর্ট রায় দিয়েছে। আইনজীবীরা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *