বিশ্বে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন

24

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বিশ্বজুড়ে বাড়ছে প্রতিদিন। গতকাল বৃহস্পতিবার এ সংখ্যা সাড়ে ৩২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে সুস্থও হয়ে উঠেছেন ১০ লাখের বেশি বা প্রায় এক–তৃতীয়াংশ রোগী।

করোনার সংক্রমণের সার্বক্ষণিক তথ্য প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস ডট ইনফোর তথ্যমতে, গতকাল বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ৩২ লাখ ৭২ হাজারের বেশি। এর মধ্যে গত বুধবারই ৬ হাজার ৫৯৩ জনসহ মোট মৃত্যু হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৩১ হাজার মানুষের। সুস্থ হয়েছেন ১০ লাখ ৩০ হাজারের বেশি। অর্থাৎ গতকাল পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন মোট শনাক্ত রোগীর ৩২ শতাংশের মতো। বেশি আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে ইরান ও জার্মানিতে সুস্থ হওয়ার হার বেশি। সেই তুলনায় অনেক কম যুক্তরাষ্ট্রে। চীনে সুস্থতার হার সবচেয়ে বেশি এ কারণে যে তারাই আক্রান্ত হয়েছিল প্রথমে এবং করোনার ধাক্কা তারা প্রায় সামলে উঠেছে। নতুন করে আর কেউ আক্রান্ত হচ্ছে না বললেই চলে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বিশ্বজুড়ে বাড়ছে প্রতিদিন। গতকাল বৃহস্পতিবার এ সংখ্যা সাড়ে ৩২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে সুস্থও হয়ে উঠেছেন ১০ লাখের বেশি বা প্রায় এক–তৃতীয়াংশ রোগী।

করোনার সংক্রমণের সার্বক্ষণিক তথ্য প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস ডট ইনফোর তথ্যমতে, গতকাল বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ৩২ লাখ ৭২ হাজারের বেশি। এর মধ্যে গত বুধবারই ৬ হাজার ৫৯৩ জনসহ মোট মৃত্যু হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৩১ হাজার মানুষের। সুস্থ হয়েছেন ১০ লাখ ৩০ হাজারের বেশি। অর্থাৎ গতকাল পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন মোট শনাক্ত রোগীর ৩২ শতাংশের মতো। বেশি আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে ইরান ও জার্মানিতে সুস্থ হওয়ার হার বেশি। সেই তুলনায় অনেক কম যুক্তরাষ্ট্রে। চীনে সুস্থতার হার সবচেয়ে বেশি এ কারণে যে তারাই আক্রান্ত হয়েছিল প্রথমে এবং করোনার ধাক্কা তারা প্রায় সামলে উঠেছে। নতুন করে আর কেউ আক্রান্ত হচ্ছে না বললেই চলে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারস-এর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনার সংক্রমণ থেকে সেরে উঠেছেন ১০ হাজারের বেশি মানুষ। ২৪ ঘণ্টার হিসাবে এই হার আরও বেশি। তবে দেশভেদে সুস্থতার হারে ভিন্নতা রয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনসহ দেশটির অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় বুধবার আরও ২ হাজার ৩৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মৃত্যু ৬২ হাজার ছাড়িয়েছে। সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ৭৫ হাজার ছাড়িয়েছে, যা সারা বিশ্বে মোট আক্রান্তের প্রায় এক–তৃতীয়াংশ। ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্যমতে, গতকাল রাত ১২টা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজারের কিছু বেশি রোগী। অর্থাৎ দেশটিতে সুস্থ হয়েছেন প্রায় ১৪ শতাংশ রোগী, যা করোনার সংক্রমণ ছড়ানো শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম।

তবে যুক্তরাজ্যে গতকাল পর্যন্ত ঠিক কতজন সুস্থ হয়েছেন, সে তথ্য জানা যায়নি। তাই বলে যে দেশটিতে কেউই সুস্থ হননি, তা–ও নয়। যেমন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক করোনা সংক্রমিত হওয়ার পর এরই মধ্যে সুস্থ হয়ে কাজে যোগ দিয়েছেন। বিবিসির তথ্যমতে, দেশটিতে গতকাল পর্যন্ত ১ লাখ ৭১ হাজারের বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ২৬ হয়েছে ২৬ হাজার ৭১১ জনের। অন্য দেশগুলোতে কমে আসায় ইউরোপে এখন প্রতিদিন সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে যুক্তরাজ্যে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, স্পেনে বৃহস্পতিবার করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২৬৮ জনের। গত ২০ মার্চের পর দেশটিতে একদিনে মৃত্যুর ঘটনা এদিনই সবচেয়ে কম। এ নিয়ে স্পেনে মারা গেলেন সাড়ে ২৪ হাজারের বেশি মানুষ। ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্যমতে, স্পেনে গতকাল পর্যন্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ লাখ ৩৯ হাজারের বেশি। সুস্থ হয়েছেন প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার রোগী। অর্থাৎ স্পেনে সুস্থ হয়েছেন ৫৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ রোগী।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ইতালিতে গতকাল মৃত্যু হয় ২৮৫ জনের। এ নিয়ে দেশটিতে সাড়ে ২৭ হাজার ৯৬৭ জনের প্রাণ গেল করোনায়। গতকাল পর্যন্ত সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ লাখ ৫ হাজারের বেশি। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন প্রায় ৭৬ হাজার। অর্থাৎ ইউরোপের এই দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন প্রায় ৩৫ শতাংশ। ব্যাপকভাবে করোনার সংক্রমণ ছড়ানো ইউরোপের আরেক দেশ ফ্রান্সেও সুস্থ হয়ে ওঠার হার প্রায় ২৯ শতাংশ। দেশটিতে মৃত্যু ২৪ হাজার ছাড়িয়েছে।

ইউরোপের আরেক দেশ জার্মানিতে বুধবার পর্যন্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজারের বেশি। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি। অর্থাৎ দেশটিতে সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট শনাক্ত রোগীর ৭৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ। করোনার সংক্রমণ যে চীন থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে, সেখানেও সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট শনাক্ত রোগীর ৯৩ দশমিক ৬২ শতাংশ। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানেও সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট শনাক্ত রোগীর ৭৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। তুরস্কে শনাক্ত হওয়া প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার রোগীর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ। আর রাশিয়ায় শনাক্ত হওয়া ১ লাখ ৬ হাজারের বেশি রোগীর মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১০ দশমিক ৯১ শতাংশ। দেশটিতে মৃত্যু ১ হাজার ছাড়িয়েছে গতকাল।

সূত্র: প্রথম আলো